ভাল আছি

November 9, 2008 by papry

1226162762_1-15

[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]

 

 

যদিও হৃদয় ভেজেনি আমার

 

তোমার দেওয়া প্রেমে,

 

তবুও বলছি তোমার মত

 

হারিনি জীবন সংগ্রামে।

 

তোমার মত জ্বলিনি আমি

 

হয়নি ত এখনও নিঃস্ব,

 

তাই তিক্ত আজও লাগেনি আমায়

 

সুন্দর এ বিশ্ব।

 

জীবন আমার তোমার মত

 

হয়নি পুড়ে ছাই,

 

কাজেই দেয়ালে মাথা ঠুকে বলিনা কখনও

 

একটু শান্তি চাই।

 

তোমার মত হতে হয়নি আমায়

 

জীবন মুক্তিকামী,

 

তাই বলছি তোমার চেয়ে অনেক

 

সুখেই আছি আমি।

দুঃখ আমার

November 9, 2008 by papry

onura-1

মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন [পাপড়ি]

 

 

দুঃখ আমার, আজও কেউ

বুঝলে না আমায় হায়

কেন আমি, কাদের স্বার্থে

এসেছিলাম এ দুনিয়ায়।

চলার পথে হোচট খেয়ে

ডাকবে যখন মোরে

দেখবে হয়ত ঘুমিয়ে আছি

শিউলি ঝরা ভোরে।

আঘাত পেয়ে লাঞ্চনা সয়েও

করিনি ত অভিমান

বুঝলে না কেউ জীবনের আমার

 

 

কি ছিল অবদান।

বিন্দুমাত্র কখনও কেউ

দিলেনা তো মোর দাম

বুঝবে সেদিন আসবে যখন

জীবনের পরিমান।

অশ্রুধারা

November 9, 2008 by papry

my-first-love

[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]

 

 

অন্তরের মাঝে হঠাৎ পড়ে গেল

 

এ কেমন নাড়া?

 

এত আনন্দেও মাঝেও যার কারণে

 

নেমেছে অশ্রুধারা।

 

এখন নেই তো আর কোন ও দুঃখ,

 

নেই কোন ও কষ্ট তবু্ও কেন বেদনাদায়ক স্মৃতিগুলো

 

চোখের সামনে ভেসে উঠে স্পষ্ট?

 

জানি না এত আনন্দের মাঝেও কেন

 

অতীতের কথা মনে পড়ে?

 

অতীতই তো কাঁদায় আমাকে বসে রেখে

 

নির্জন একটি ঘরে।

 

ভেবেছিলাম ভুলে যাব, কিন্তু সারাক্ষণ যে,

 

অনেক কথা পড়ে মনে।

 

সুখের সকালই যাচ্ছে বোঝা এর পড়ে

 

আসবে দুঃখের সন্ধ্যাঘনে।

 

ঝরছে শুধু রক্তাত্ব অশ্রু

 

প্রত্যাশায়ী দুটি চোখ বেয়েঅতি

 

শান্তভাবে নামছে সে জল

 

ব্যথার গান গেয়ে।

 

এত ঝরে তবু হয়না শেষ,

 

করে শুধু ছল ছল।

 

দুচোখ বেয়ে কান্ত হয়ে

 

নামিছে কঠিন জল।

 

নিজেকে যেভাবে চেয়েছিলাম গড়াতে

 

তার করেছিলাম নকশা সুক্ষ।

 

বাইরে অনেক সুখ তাকলেও

 

হৃদয় ভরা যে দুঃখ।

 

এত আনন্দের মাঝেও স্মৃতিরা কেন

 

করেছে আমার তাড়া?

 

যার কারণে দুচোখ বেয়ে

 

নামছে অশ্রুধারা।

বিষাদের ছায়া

November 9, 2008 by papry

raatmojurblog_1223701327_3-10102008047

[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]

 

 

কেন আজ জ্বলেনি এ চোখে

 

আনন্দেও আলো?

 

মুখ কেন আজ হয়ে আছে

 

আধার সমকালো ?

 

কোনও ডাকের আজ

 

নেই কোনও সারা।

 

শোকার্ত আজ মনের

 

গ্রামের প্রতিটি পাড়া।

 

হারিয়ে গেছে বুঝি

 

মুখের লাবন্যময় হাসি।

 

চোখ থেকে ঝরছে

 

অশ্রু রাশি রাশি।

 

কে করিল আজ

 

এমন সর্বনাশা?

 

কে করিল সব

 

শান্তি গ্রাস?

 

কেড়ে নিল কে আজ

 

সব শান্তি সুখ,

 

যার কারনে আধারে ঢাকা

 

আজ হাস্যোজ্বল মুখ।

 

কে সেই নিষ্ঠুর?

 

যার নেই কোনও মায়া।

 

এমন আনন্দময় জীবনের মাঝে

 

নামিয়ে দিল যে, বিষাদের ছায়া।

জোৎস্না রাতে

November 9, 2008 by papry

autumn-evening

[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]

 

আলোকিত চারিদিক

 

নেই কোন কালো।

 

ছড়িয়ে যে পড়েছে

 

জোৎস্নার আলো।

 

ভেদ করে পাহার-গাছ

জোৎস্নার আলো আসে ।

 

তাই দেখে সবুজ ঘাস

 

মিটমিট হাসে।

 

প্রতিটি গ্রাম আজ

 

আলো দিয়ে গাঁথা।

 

পেয়ে আলো ঝিরিঝিরি,

 

নাচে বাঁশের পাতা।

 

নিস্তব্দ সত্মা গ্রাম কারও

নেই কোনও সারা।

 

আলো দিয়ে সেজে আছে

 

শত শত পাড়া।

 

জোৎস্নার আলোতে বাংলার

জল ভরা দিঘি স্থির।

 

রুপসী চাঁদখানা যেন

 

শুধুই শান্তিও নীর।

 

জোৎস্নার আলো গ্রহন করতে

কারও নেই আজ বাঁকি।

 

বাংলার গ্রামে আজ জোৎস্নার

বন্যা এল নাকি?

 

মাঠ-ঘাট সবকিছু শুধু

জোৎস্নায় ভরা।

 

সারা বিশ্ব যেন শুধু

 

জোৎস্নায় গড়া।

 

তামাশা দেখছি জোৎস্নার,দাড়িয়ে

প্রকৃতির সাথে।

 

তুমিও মুগ্ধ হবে এলে গ্রামে

 

জোৎস্না রাতে।